সরকারি কলেজবিহীন উপজেলায় ১টি করে কলেজ জাতীয়করণে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার
পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত একটি কমিটি ৩২৫টি কলেজ জাতীয়করণের
লক্ষ্য নির্ধারণ করে। প্রধানমন্ত্রীর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়
জুন মাসে। চারটি বাদ পড়ে প্রথমেই ।
এরপর নানা অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আবারো
যাচাইবাছাই হয়। যাচাইবাছাইয়ের পর গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয় থেকে ১৯৯টি কলেজের দুইটি পৃথক তালিকা কঠোর গোপণীয়তায় শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ১৯৯ কলেজ
জাতীয়করণের অনুমোদন/সদয় অনুশাসন দিয়েছেন। বাদবাকীগুলো নিয়ে কাজ চলছে।
শিক্ষা বিষয়ক দেশের একমাত্র জাতীয় পত্রিকা দৈনিকশিক্ষার লাখ লাখ পাঠকের জন্য ১৯৯টি কলেজের তালিকা প্রকাশ করা হলো।
মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর ডিগ্রি কলেজ, নারায়ণগঞ্জের কদম রসুল কলেজ,
মুন্সীগঞ্জের বিক্রমপুরের কে বি ডিগ্রি কলেজ; গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন
আহমদ ডিগ্রি কলেজ, শ্রীপুর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী কলেজ, নরসিংদী জেলার
হোসেন আলী কলেজ ও রায়পুরা কলেজ, রাজবাড়ীর মীর মশাররফ হোসেন কলেজ।
শরীয়তপুরের এম এ রেজা ডিগ্রি কলেজ ও শামসুর রহমান ডিগ্রি কলেজ। টাঙ্গাইলের
জোবেদা রুবেয়া মহিলা কলেজ ও মেহেরুন্নেছা মহিলা কলেজ। কিশোরগঞ্জের
বাজিতপুর কলেজ ও হোসেনপুর ডিগ্রি কলেজ। ময়মনসিংহ নজরুল কলেজ, হলুয়াঘাট
শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ ও ঈশ্বরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ। নেত্রকোনার বারহাট্টা
কলেজ (সহশিক্ষা), কৃষ্ণপুর হাজী আলী আকবর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, কলমাকান্দা
ডিগ্রি কলেজ, কেন্দুয়া ডিগ্রি কলেজ ও পূর্বধলা ডিগ্রি কলেজ।জামালপুর এ কে
মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ ও বঙ্গবন্ধু কলেজ।
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, আলাওল ডিগ্রী কলেজ, নিজামপুর
কলেজ ও রাঙ্গুনিয়া কলেজ। কক্সবাজারের কুতুবদিয়া কলেজ, চকরিয়া ডিগ্রী
কলেজ, টেকনাফ ডিগ্রী কলেজ ও বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজ। রাঙ্গামাটির কাচালং
ডিগ্রী কলেজ, নানিয়াচর কলেজ, কর্ণফুলি ডিগ্রী কলেজ, কাউখালী ডিগ্রী কলেজ ও
বাঙ্গালহালিয়া কলেজ।
খাগড়ছড়ির দীঘিনালা ডিগ্রী কলেজ, পানছড়ি ডিগ্রী কলেজ, মহালছড়ি কলেজ,
মাটিরাঙ্গা ডিগ্রী কলেজ, মানিকছড়ি গিরি মৈত্রী ডিগ্রী কলেজ ও গুইমারা
কলেজ। বান্দরবানের মাতামুহুরী কলেজ, হাজী এম এ কালাম ডিগ্রী কলেজ ও রুমা
সাঙ্গু কলেজ। নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী কলেজ ও চর জব্বার ডিগ্রী কলেজ। ফেনীর
ইকবাল মেমোরিয়াল জেলার ডিগ্রী কলেজ। লক্ষীপুরের হাজিরহাট উপকূল কলেজ।
কুমিল্লার বঙ্গবন্ধু কলেজ, কালিকাপুর আবদুল মতিন খসরু ডিগ্রী কলেজ,
চান্দিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজ, মানিকারচর বঙ্গবন্ধু কলেজ ও নীলকান্ত ডিগ্রি
কলেজ।
ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার শহিদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ, নাসিরনগর (ডিগ্রি)
মহাবিদ্যালয়, বাঞ্ছারামপুর ডিগ্রি কলেজ, সরাইল ডিগ্রি কলেজ। চাঁদপুরের
কচুয়া বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজ, ফরিদগঞ্জ বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজ, ছেংগারচর
ডিগ্রি কলেজ, মতলব ডিগ্রি কলেজ ও হাইমচর মহাবিদ্যালয়। সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ
ডিগ্রি কলেজ, ঢাকা দক্ষিণ ডিগ্রি কলেজ, কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজ ও দক্ষিণ
সুরমা কলেজ। হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ, শাহজালাল কলেজ, ও জনাব আলী
ডিগ্রি কলেজ।
মৌলভীবাজারের নারীশিক্ষা একাডেমী ডিগ্রি কলেজ, কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজ,
রাজনগর ডিগ্রি কলেজ, কমলগঞ্জ গণ-মহাবিদ্যালয় (অনার্স কলেজ) ও তৈয়বুন্নেসা
খানম একাডেমী ডিগ্রি কলেজ। সুনামগঞ্জের দিগেন্দ্র বর্মন ডিগ্রি কলেজ, ছাতক
ডিগ্রি কলেজ, দিরাই ডিগ্রি কলেজ, ধর্মপাশা ডিগ্রি কলেজ, দোয়ারাবাজার
ডিগ্রি কলেজ, জগন্নাথপুর ডিগ্রি কলেজ ও জামালগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ।
সুনামগঞ্জের শাল্লা ডিগ্রি কলেজ ও পাগলা মডেল হাই স্কুল এন্ড কলেজ।
রাজশাহীর শাহদৌলা ডিগ্রি কলেজ, লস্করপুর ডিগ্রি মহাবিদ্যানিকেতন, নওহাটা
মহিলা ডিগ্রি কলেজ, ভবানীগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ও সরদাহ মহাবিদ্যালয়।
নাটোরের বাগতিপাড়া ডিগ্রি কলেজ ও গোপালপুর আদর্শ মহিলা ডিগ্রি কলেজ।
নওগাঁর ধামইরহাট এম এম ডিগ্রি কলেজ, পোরশা ডিগ্রি কলেজ ও শের-এ-বাংলা
(ডিগ্রি) মহাবিদ্যালয়।
পাবনার চাটমোহর ডিগ্রি কলেজ, বেড়া কলেজ, হাজী জামাল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ ও
নিজাম উদ্দিন আজগর আলী ডিগ্রি কলেজ। সিরাজগঞ্জের বেলকুচি কলেজ, বেগম নুরুণ
নাহার তর্কবাগীশ অনার্স কলেজ ও চৌহালী এস.বি.এম কলেজ। বগুড়ার ধুনট ডিগ্রি
কলেজ, কাহালু ডিগ্রি মহাবিদ্যালয় ও সারিয়াকান্দি আব্দুল মান্নান মহিলা
কলেজ। জয়পুরহাট ছাঈদ আলতাফুন্নেছা কলেজ। রংপুরের গংগাচড়া ডিগ্রি কলেজ,
হারাগাছ ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়, পায়রাবন্দ বেগম রোকেয়া স্মৃতি ডিগ্রি
মহাবিদ্যালয় ও পীরগাছা কলেজ। নীলফামারীর ডিমলা মহিলা মহাবিদ্যালয়।
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ কলেজ (সহশিক্ষা), সাদুল্লাপুর ডিগ্রী কলেজ
(সহশিক্ষা) ও সুন্দরগঞ্জ ডি.ডব্লিউ ডিগ্রী কলেজ (সহশিক্ষা)। কুড়িগ্রামের
ফুলবাড়ী উপজেলার সাইফুর রহমান মহাবিদ্যালয়, ভুরুঙ্গামারি ডিগ্রী কলেজ ও
রাজারহাট মহিলা ডিগ্রী কলেজ। লালমনিরহাটের আলিমুদ্দিন ডিগ্রী কলেজ,
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ, সেতাবগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ, জয়নন্দ ডিগ্রী
কলেজ ও পার্বতীপুর ডিগ্রী কলেজ।
ঠাকুরগাঁও সমির উদ্দিন স্মৃতি মহাবিদ্যালয়, রাণীশংকৈল মহিলা ডিগ্রী কলেজ ও
মোসলেম উদ্দিন মহাবিদ্যালয় (সহশিক্ষা)। পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী
কলেজ, বোদা পাইলট বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ এবং বঙ্গবন্ধু ডাংগীর হাট আদর্শ
মহাবিদ্যালয়। খুলনার ফুলতলা মহিলা কলেজ। বাগেরহাটের বঙ্গবন্ধু মহিলা
ডিগ্রি কলেজ ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মহিলা মহাবিদ্যালয়। সাতক্ষীরার খান
বাহাদুর আহছান উল্লাহ কলেজ। মাগুরার বীর মুক্তিযোদ্ধা আছাদুজ্জামান কলেজ।
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার হাবিবুল আলম বীরপ্রতীক মহাবিদ্যালয়। বরিশালের
শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত ডিগ্রী কলেজ, আবুল কালাম ডিগ্রী কলেজ ও শেরে
বাংলা ডিগ্রী কলেজ। ভোলার তজুমদ্দিন ডিগ্রী কলেজ, দৌলতখান আবু আবদুল্লাহ
কলেজ, আব্দুল জব্বার কলেজ ও মনপুরা ডিগ্রী কলেজ।
ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার তফাজ্জল হোসেন (মানিক মিয়া) ডিগ্রী কলেজ,
নলছিটি ডিগ্রী কলেজ ও রাজাপুর ডিগ্রী কলেজ। পিরোজপুরে কাউখালী মহাবিদ্যালয়
ও নাজিরপুর উপজেলঅর বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা
বিশ্ববিদ্যালয়।
পটুয়াখালীর আবদুর রসিদ তালুকদার ডিগ্রী কলেজ, গলাচিপা ডিগ্রী কলেজ,
সুবিদখালী ডিগ্রী কলেজ, জনতা কলেজ ও রাঙ্গাবালি কলেজ। বরগুনার তালতলী
ডিগ্রী কলেজ, হাজী জালাল উদ্দিন মহিলা ডিগ্রী কলেজ ও বামনা ডিগ্রী কলেজ।
ঢাকার সাভার কলেজ। মানিকগঞ্জের মহাদেবপুর ইউনিয়ন ডিগ্রি কলেজ।
নায়ারণগঞ্জের সোনারগাঁও ডিগ্রি কলেজ। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ কামরুল ইসলাম
ডিগ্রি কলেজ। ময়মনসিংহের ভালুকা ডিগ্রি কলেজ ও ধোবাউড়া আদর্শ কলেজ।
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ মহাবিদ্যালয় ও তাড়াইল মুক্তিযোদ্ধা কলেজ।
নেত্রকোনার তেলিগাতী ডিগ্রি কলেজ ও সুসং মহাবিদ্যালয়; সহশিক্ষা।
টাঙ্গাইলের শামসুল হক মহাবিদ্যালয় ও সৈয়দ মহব্বত আলী ডিগ্রি কলেজ।
চট্টগ্রামের চুনতি মহিলা ডিগ্রি কলেজ ও সীতাকুন্ড মহিলা কলেজ। কক্সবাজারের
বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজ ও রামু ডিগ্রি কলেজ।
সিলেটের গোয়াইনঘাট ডিগ্রি কলেজ ও ইমরান আহমেদ মাহিলা কলেজ। সুনামগঞ্জের
বাদাঘাট ডিগ্রি কলেজ। রাজশাহীর মোহনপুর ডিগ্রি কলেজ।চাপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর
ইউসুফ আলী কলেজ, রহনপুর মহিলা কলেজ ও ভোলাহাট মহিলা কলেজ। নাটোরের
বড়াইগ্রাম অর্নাস কলেজ ও শহীদ নজমুল হক ডিগ্রি কলেজ। পাবনার সাঁথিয়া
ডিগ্রি কলেজ।সিরাজগঞ্জের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব আইডিয়াল কলেজ।
রংপুরের শাহ আব্দুর রউফ কলেজ। নীলফামারীর জলঢাকা ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়।
গাইবান্ধার ফুলছড়ি ডিগ্রি কলেজ (সহশিক্ষা) ও বোনারপাড়া ডিগ্রি কলেজ
(সহশিক্ষা)। কুড়িগ্রামের রাজিবপুর ডিগ্রি কলেজ, চিলমারী ডিগ্রি কলেজ ও
নাগেশ্বরী কলেজ।
দিনাজপুরের বিরামপুর কলেজ ও আফতাবগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ। খুলনার শাহপুর মধুগ্রাম
কলেজ। যশোরের নওয়াপাড়া মহাবিদ্যালয়, চৌগাছা ডিগ্রী কলেজ ও শহীদ মশিয়ুর
রহমান ডিগ্রী কলেজ।
বাগেরহাটের শহীদ শেখ আবু নাসের মহিলা ডিগ্রী কলেজ, ফকিরহাট ফজিলাতুননেছা
মুজিব মহিলা ডিগ্রি মহাবিদ্যালয় ও রামপাল ডিগ্রী কলেজ। ঝিনাইদহের মাহতাব
উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ। কুষ্টিয়ার শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজ।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর আদর্শ মহিলা ডিগ্রি কলেজ।
সরকারের সিদ্ধান্ত হলো প্রত্যেক উপজেলায় একটি কলেজ ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে
সরকারি করা। তারই আলোকে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা হচ্ছে।
Showing posts with label নিবন্ধন তথ্য ভাণ্ডার. Show all posts
Showing posts with label নিবন্ধন তথ্য ভাণ্ডার. Show all posts
Tuesday, July 5, 2016
Monday, June 27, 2016
হার্ডকপি পাঠানো নিয়ে সর্বশেষ সল্যুশন (মুন্না )
যা যা দিবেনঃ-
১। প্রথমে এই ;লিঙ্কে গিয়ে আইডি পাসওয়ার্ড দিয়ে applicant's copy ডাউনলোড করুনঃ
এই applicant's copy প্রিন্ট করে নিন। সাদাকালো না কালার প্রিন্ট করতে হবে সেটা বলা নাই, তাই যা ইচ্ছা করতে পারেন। এই applicant's copy এর এক কপি দিতে হবে। (এটা সত্যায়িত করা লাগবে না)।
২। এরপর আপনার শিক্ষাজীবনের প্রাপ্ত সনদ গুলি দিবেন (সত্যায়িত ফটোকপি) এক কপি করে।
৩। শুধুমাত্র অনার্স লেভেল বা সমমানের মার্কশীট (না থাকলে টেবুলেশন শিট) দিবেন- এক কপি (সত্যায়িত ফটোকপি)
৪। জাতীয় পরিচয়পত্রের (সত্যায়িত ফটোকপি) এক কপি।
৫। নিজ এলাকার পৌরসভা থেকে তোলা নাগরিকত্ব সনদপত্র (সত্যায়িত ফটোকপি) এক কপি।
এই কয়টা জিনিস সবাইকেই দিতে হবে।
এখন, ৬। আপনি যদি আবেদন করার সময় বিশেষ কোন প্রশিক্ষণের কথা উল্লেখ করে থাকেন, তাহলে সেটার সনদও দিতে হবে একইভাবে ( অর্থাৎ সত্যায়িত ফটোকপি- এক কপি)।।
আর যারা স্কুলে আবেদন করেছেন তাদের
৭। অনার্স সমমানের প্রবেশ পত্রের (সত্যায়িত ফটোকপি) দিতে হবে। এটা দিবেন আপনি যে বিষয়ের জন্য আবেদন করেছেন সেই বিষয় যে ইয়ার বা সেমেস্টারে ছিল সেইটা। একাধিক দিয়ে খাম অযথা ভারী করার দরকার নাই বলে মনে করি, একটা দিলেই যথেষ্ট।
যেভাবে পাঠাবেনঃ
যদিও অনেকেই বলছে কুরিয়ারে পাঠালেও হবে, কিন্তু আমার মত হলো, যেহেতু ডাকের কথা উল্লেখ করাই আছে, তাই কুরিয়ারে পাঠাবেন না। আর আমার আরেকটা পরামর্শ হলো, সাধারণ ডাকে না দিয়ে রেজিস্ট্রি করে (বা এই ধরনের ওদের আর যে সেবা আছে সেভাবে) পাঠান। এতে আপনার খরচ হবে ২০ থেকে ২৫ টাকা। সাধারণ ডাকের কোন মা বাপ নাই, তাই ওই রিস্কে যাওয়ার দরকার নাই- গতবার অনেকেই পরিক্ষা দিতে পারেনি বলে জানি।
খামঃ
খাম নিয়েও দেখলাম অনেকে উদ্বিগ্ন, কিন্তু মনে হয় না এটা নিয়ে উদ্বেগের কিছু আছে। খামের কথা তো কিছু বলা নাই, তাহলে এত ভাবনা কেন? যেমন খামে ইচ্ছা পাঠান না, সমস্যা কি? এ ব্যাপারে আমার মত-- A4 সাইজের বড় বাঁশপাতা খামে পাঠান যাতে কাগজগুলো ভাজ করা না লাগে। আবার বাঁশপাতা যে লম্বা খামটা পাওয়া যায় সেটাতেও পাঠাতে পারেন।
আর খামের কালার নিয়েও কোন ইন্সট্রাকশন নাই, তাই ওটা নিয়েও মাথা ব্যথা করার কোন যুক্তি দেখিনা!
আর যারা স্কুল কলেজ দুইটাতেই দিবেন, তারা দুইবার দুই খামে পাঠাবেন! (এই প্রশ্নও অনেকে করছেন!)
ছবির কথাও অনেকে জিজ্ঞাসা করছেন- কিন্তু ছবির কথাও তো বলা নাই, তাই ছবিও লাগবে না!
আপনি যদি পাস করে থাকেন, কিন্তু এখনো মেসেজ না পেয়ে থাকেন তাও কাগজ পাঠিয়ে ফেলতে পারেন!!
সব কাগজ একসাথে পিন আপ করে দিয়েন! এইসব ছোটখাট কারণে আপনার দরখাস্ত বাতিল হবে না আশা করি!!
অনেকে এখনো জানেন না লাস্ট ডেট কবে-- সামনের মাসের ২০ তারিখ, মানে ২০ জুলাই :/
ঠিকানাঃ
খামের ছবি সহ দিয়ে দিলাম :)
আপনার ঠিকানা বা পদের নাম এইগুলো যে দিতেই হবে এমন নয়। তবে বাদবাকি অংশ দিতে হবে।
১। প্রথমে এই ;লিঙ্কে গিয়ে আইডি পাসওয়ার্ড দিয়ে applicant's copy ডাউনলোড করুনঃ
এই applicant's copy প্রিন্ট করে নিন। সাদাকালো না কালার প্রিন্ট করতে হবে সেটা বলা নাই, তাই যা ইচ্ছা করতে পারেন। এই applicant's copy এর এক কপি দিতে হবে। (এটা সত্যায়িত করা লাগবে না)।
২। এরপর আপনার শিক্ষাজীবনের প্রাপ্ত সনদ গুলি দিবেন (সত্যায়িত ফটোকপি) এক কপি করে।
৩। শুধুমাত্র অনার্স লেভেল বা সমমানের মার্কশীট (না থাকলে টেবুলেশন শিট) দিবেন- এক কপি (সত্যায়িত ফটোকপি)
৪। জাতীয় পরিচয়পত্রের (সত্যায়িত ফটোকপি) এক কপি।
৫। নিজ এলাকার পৌরসভা থেকে তোলা নাগরিকত্ব সনদপত্র (সত্যায়িত ফটোকপি) এক কপি।
এই কয়টা জিনিস সবাইকেই দিতে হবে।
এখন, ৬। আপনি যদি আবেদন করার সময় বিশেষ কোন প্রশিক্ষণের কথা উল্লেখ করে থাকেন, তাহলে সেটার সনদও দিতে হবে একইভাবে ( অর্থাৎ সত্যায়িত ফটোকপি- এক কপি)।।
আর যারা স্কুলে আবেদন করেছেন তাদের
৭। অনার্স সমমানের প্রবেশ পত্রের (সত্যায়িত ফটোকপি) দিতে হবে। এটা দিবেন আপনি যে বিষয়ের জন্য আবেদন করেছেন সেই বিষয় যে ইয়ার বা সেমেস্টারে ছিল সেইটা। একাধিক দিয়ে খাম অযথা ভারী করার দরকার নাই বলে মনে করি, একটা দিলেই যথেষ্ট।
যেভাবে পাঠাবেনঃ
যদিও অনেকেই বলছে কুরিয়ারে পাঠালেও হবে, কিন্তু আমার মত হলো, যেহেতু ডাকের কথা উল্লেখ করাই আছে, তাই কুরিয়ারে পাঠাবেন না। আর আমার আরেকটা পরামর্শ হলো, সাধারণ ডাকে না দিয়ে রেজিস্ট্রি করে (বা এই ধরনের ওদের আর যে সেবা আছে সেভাবে) পাঠান। এতে আপনার খরচ হবে ২০ থেকে ২৫ টাকা। সাধারণ ডাকের কোন মা বাপ নাই, তাই ওই রিস্কে যাওয়ার দরকার নাই- গতবার অনেকেই পরিক্ষা দিতে পারেনি বলে জানি।
খামঃ
খাম নিয়েও দেখলাম অনেকে উদ্বিগ্ন, কিন্তু মনে হয় না এটা নিয়ে উদ্বেগের কিছু আছে। খামের কথা তো কিছু বলা নাই, তাহলে এত ভাবনা কেন? যেমন খামে ইচ্ছা পাঠান না, সমস্যা কি? এ ব্যাপারে আমার মত-- A4 সাইজের বড় বাঁশপাতা খামে পাঠান যাতে কাগজগুলো ভাজ করা না লাগে। আবার বাঁশপাতা যে লম্বা খামটা পাওয়া যায় সেটাতেও পাঠাতে পারেন।
আর খামের কালার নিয়েও কোন ইন্সট্রাকশন নাই, তাই ওটা নিয়েও মাথা ব্যথা করার কোন যুক্তি দেখিনা!
আর যারা স্কুল কলেজ দুইটাতেই দিবেন, তারা দুইবার দুই খামে পাঠাবেন! (এই প্রশ্নও অনেকে করছেন!)
ছবির কথাও অনেকে জিজ্ঞাসা করছেন- কিন্তু ছবির কথাও তো বলা নাই, তাই ছবিও লাগবে না!
আপনি যদি পাস করে থাকেন, কিন্তু এখনো মেসেজ না পেয়ে থাকেন তাও কাগজ পাঠিয়ে ফেলতে পারেন!!
সব কাগজ একসাথে পিন আপ করে দিয়েন! এইসব ছোটখাট কারণে আপনার দরখাস্ত বাতিল হবে না আশা করি!!
অনেকে এখনো জানেন না লাস্ট ডেট কবে-- সামনের মাসের ২০ তারিখ, মানে ২০ জুলাই :/
ঠিকানাঃ
খামের ছবি সহ দিয়ে দিলাম :)
আপনার ঠিকানা বা পদের নাম এইগুলো যে দিতেই হবে এমন নয়। তবে বাদবাকি অংশ দিতে হবে।
১২ তম নিবন্ধনের শারীরিক শিক্ষার লিখিত প্রশ্ন
১/শারীরিক শিক্ষা কাকে বলে? বিদ্যালয়ে শারীরিক শিক্ষার গুরুত্ব আলোচনা কর।
অথবা শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া একটি দেশের উন্নয়নে কিভাবে ভূমিকা রাখতে পারে আলোচনা কর।
২/খেলা ধুলা পরিচালনা পদ্ধতি কয়টি ও কিকি? নক আউট পদ্ধতিতে ৭ টি দলের একটি ফিকচার তৈরী কর।
অথবা পরিমাপ সহ একটি আন্তর্জাতিক মানের ভলিবল কোর্ট অংকন করুন।
৩/ট্রাই কি? দূরুত্বের ট্রাই ভাংগার নিয়মাবলি উল্লেখ করে একটি ছকে উপস্থাপন করুন।
অথবা বয়ঃসন্ধিকাল বলতে কি বোঝায়? বয়ঃসন্ধি কালে মনুষের দেহে যে সকল পরিবর্তন লক্ষনীয় তা বিস্তারিত বর্ননা করুন।
৪/ ৮১ মিটার এল,পি ধরে একটি ৪০০ মিটার ট্রাক অংকন করুন এবং বিভিন্ন ইভেন্টের আরম্ব স্থান চিহ্নিত করে দেখান। অথবা
ইনজুরি বলতে কি বোঝায়? ইহা কতপ্রকার ও কিকি?প্রত্যেক প্রকারের ব্যাখ্যা দিন। ৫/হাউজ সিস্টেমের প্রয়োজনীয়তা ও উদ্দেশ্য গুলি কি কি? হাউজ ভাগ করার যে কোন একটি পদ্ধতি বর্ননা করুন।
অথবা পরিমাপ সহ একটি আন্তর্জাতিক মানের হকি মাঠ অংকন করুন।
খ - বিভাগ
৬/ "সুস্থ্য দেহে সুন্দর মন'' উক্তিটির স্ব-পক্ষে যুক্তি দিন।
অথবা
ভলিবল খেলায় রোটেশন ছক সহ লিখুন।
৭/স্কুল টিফিনের গুরুত্ব সংক্ষেপে লিখুন।
অথবা
বয়স, উচ্চতা,ওজন ভিত্তিক পুষ্টির চার্ট তৈরী করুন।
৮/আন্তর্জাতিক মানের একটি ক্রিকেট মাট পিছ সহ অংকন করুন।
অথবা
হ্যান্ডবল খেলায় শাস্তি কত প্রকার ও কি কি?
৯/পরিমাপ সহ একটি কাবাডি কোর্ট অংকন করুন
অথবা
একটি ফাস্ট এইড বক্সে সংরক্ষিত কম পক্ষে ১০ টি উপকরনের নাম লিখিন।
১০/টিকা যে কোন ২টি
(ক) অফসাইড (ফুটবল)
(খ) লিভারো( ভলিবল)
(গ) স্টেগার্ড(এথলেটিকস)
(ঘ) পাওয়ার প্লে(ক্রিকেট)
অথবা
(ক) লোনা কি?
(খ) সুইমিং পুলের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ কত?
(গ) বর্তমান বিশ্বের দ্রুত তম মানবের নাক কি?
(ঘ) হ্যান্ডবল খেলায় কত জন রেফারী থাকে?
(ঙ) FINA এর পূর্নরুপ লিখুন।
(চ) আগামী ফুটবল বিশ্ব কাপ কোন দেশে এবং কত সালে হবে?
(ছ) ভলিবল খেলার জনক কে?
অথবা শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া একটি দেশের উন্নয়নে কিভাবে ভূমিকা রাখতে পারে আলোচনা কর।
২/খেলা ধুলা পরিচালনা পদ্ধতি কয়টি ও কিকি? নক আউট পদ্ধতিতে ৭ টি দলের একটি ফিকচার তৈরী কর।
অথবা পরিমাপ সহ একটি আন্তর্জাতিক মানের ভলিবল কোর্ট অংকন করুন।
৩/ট্রাই কি? দূরুত্বের ট্রাই ভাংগার নিয়মাবলি উল্লেখ করে একটি ছকে উপস্থাপন করুন।
অথবা বয়ঃসন্ধিকাল বলতে কি বোঝায়? বয়ঃসন্ধি কালে মনুষের দেহে যে সকল পরিবর্তন লক্ষনীয় তা বিস্তারিত বর্ননা করুন।
৪/ ৮১ মিটার এল,পি ধরে একটি ৪০০ মিটার ট্রাক অংকন করুন এবং বিভিন্ন ইভেন্টের আরম্ব স্থান চিহ্নিত করে দেখান। অথবা
ইনজুরি বলতে কি বোঝায়? ইহা কতপ্রকার ও কিকি?প্রত্যেক প্রকারের ব্যাখ্যা দিন। ৫/হাউজ সিস্টেমের প্রয়োজনীয়তা ও উদ্দেশ্য গুলি কি কি? হাউজ ভাগ করার যে কোন একটি পদ্ধতি বর্ননা করুন।
অথবা পরিমাপ সহ একটি আন্তর্জাতিক মানের হকি মাঠ অংকন করুন।
খ - বিভাগ
৬/ "সুস্থ্য দেহে সুন্দর মন'' উক্তিটির স্ব-পক্ষে যুক্তি দিন।
অথবা
ভলিবল খেলায় রোটেশন ছক সহ লিখুন।
৭/স্কুল টিফিনের গুরুত্ব সংক্ষেপে লিখুন।
অথবা
বয়স, উচ্চতা,ওজন ভিত্তিক পুষ্টির চার্ট তৈরী করুন।
৮/আন্তর্জাতিক মানের একটি ক্রিকেট মাট পিছ সহ অংকন করুন।
অথবা
হ্যান্ডবল খেলায় শাস্তি কত প্রকার ও কি কি?
৯/পরিমাপ সহ একটি কাবাডি কোর্ট অংকন করুন
অথবা
একটি ফাস্ট এইড বক্সে সংরক্ষিত কম পক্ষে ১০ টি উপকরনের নাম লিখিন।
১০/টিকা যে কোন ২টি
(ক) অফসাইড (ফুটবল)
(খ) লিভারো( ভলিবল)
(গ) স্টেগার্ড(এথলেটিকস)
(ঘ) পাওয়ার প্লে(ক্রিকেট)
অথবা
(ক) লোনা কি?
(খ) সুইমিং পুলের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ কত?
(গ) বর্তমান বিশ্বের দ্রুত তম মানবের নাক কি?
(ঘ) হ্যান্ডবল খেলায় কত জন রেফারী থাকে?
(ঙ) FINA এর পূর্নরুপ লিখুন।
(চ) আগামী ফুটবল বিশ্ব কাপ কোন দেশে এবং কত সালে হবে?
(ছ) ভলিবল খেলার জনক কে?
বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠাসমুহে নিয়োগের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে ইচ্ছুকদের জ্ঞাতব্য কতিপয় বিষয়ঃ
1. বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমুহ হতে বিভিন্ন তারিখে অনলাইনে এনটিআরসিএ-তে প্রাপ্ত চাহিদা (ই-রিকুইজিশন) সমুহের একটি সম্বলিত তালিকা এনটিআরসিএ’র ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
2. প্রকাশিত তালিকার বিভিন্ন পদসমূহের জন্য এনটিআরসিএ’র সনদধারী ( ১ম থেকে ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ন) সংশ্লিষ্ট সকলেই এনটিআরসিএ’র নিকট আবেদন করতে পারবেন। ই-আবেদন ফরম পূরণের সময় নামের বানানসহ অন্যান্য তথ্যাদি নিবন্ধন পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় প্রদত্ত তথ্যের অনুরূপ হতে হবে।
3. প্রতিটি পদের জন্য প্রাপ্ত সকল বৈধ আবেদনকারী অনলাইনে সফলভাবে আবেদন পেশ করার পর এনটিআরসিএ’র পক্ষ হতে একটি এসএমএস পাবেন। এছাড়া আবেদনকারীকে পেশকৃত আবেদনের একটি প্রিন্ট কপি সংরক্ষণ করতে হবে।
4. প্রতিটি পদের বিপরীতে প্রাপ্ত বৈধ সকল আবেদরকারীদেরকে (সরকারি বিধি মাফিক মহিলা কোটা ও আঞ্চলিক অগ্রাধিকার ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে সরকার নির্ধারিত পদ্ধতিতে) এনটিআরসিএ’র নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফলের মেধার ভিত্তিতে বাছাই করা হবে।
5. প্রার্থী বাছাইকালে সংশ্লিষ্ট উপজেলার প্রার্থীদেরকে সর্ব প্রথমে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা থেকে কোন আবেদন পাওয়া না গেলে পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট জেলা, বিভাগ ও জাতীয় মেধার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই করা হবে। তবে বিভাগীয় শহরের পদসমুহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের সকল প্রার্থীর জন্য এবং রাজধানী ঢাকা এর পদসমুহ সারা দেশের নিবন্ধন সনদধারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
3. প্রতিটি পদের জন্য প্রাপ্ত সকল বৈধ আবেদনকারী অনলাইনে সফলভাবে আবেদন পেশ করার পর এনটিআরসিএ’র পক্ষ হতে একটি এসএমএস পাবেন। এছাড়া আবেদনকারীকে পেশকৃত আবেদনের একটি প্রিন্ট কপি সংরক্ষণ করতে হবে।
4. প্রতিটি পদের বিপরীতে প্রাপ্ত বৈধ সকল আবেদরকারীদেরকে (সরকারি বিধি মাফিক মহিলা কোটা ও আঞ্চলিক অগ্রাধিকার ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে সরকার নির্ধারিত পদ্ধতিতে) এনটিআরসিএ’র নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফলের মেধার ভিত্তিতে বাছাই করা হবে।
5. প্রার্থী বাছাইকালে সংশ্লিষ্ট উপজেলার প্রার্থীদেরকে সর্ব প্রথমে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা থেকে কোন আবেদন পাওয়া না গেলে পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট জেলা, বিভাগ ও জাতীয় মেধার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই করা হবে। তবে বিভাগীয় শহরের পদসমুহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের সকল প্রার্থীর জন্য এবং রাজধানী ঢাকা এর পদসমুহ সারা দেশের নিবন্ধন সনদধারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
== প্রিলিমিনারি টেস্টে উত্তীর্ণ সকলের জন্য অতিব জরুরী==
➡ প্রিলিমিনারি টেস্টে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের হার্ডকপি জমাদান:
💻 প্রিলিমিনারি টেস্টে উত্তীর্ণ প্রার্থীগণকে SMS-এর মাধ্যমে হার্ডকপি প্রেরণের তারিখ ও সময় অবহিত করা হবে। SMS-এ প্রাপ্ত নির্দেশনা মোতাবেক উত্তীর্ণ প্রার্থীগণ Online-এ পূরণকৃত আবেদন Rorm (Applicant's Copy)-এর সাথে নিম্নোক্ত সনদ/ডকুমেন্ট প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত করে খামে ভরে যথেষ্ট সময় হাতে রেখে ডাকযোগে নিম্ন ঠিকানায় পৌঁছানো অবশ্যই নিশ্চিত করবেন:
✉✉✉ প্রাপক:
ঢাকা জি.পি.ও. বক্স নম্বর-১০৩,
ঢাকা-১০০০।
➡ প্রয়োজনীয় সনদ/Documents
✉ সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র;
✉ স্নাতক (পাস/সম্মান) পর্যায়ের নম্বরপত্র (মার্ক শিট/টেবুলেশন শিট);
✉ কেবল সহকারী শিক্ষক পদসমূহের ক্ষেত্রে প্রার্থী কর্তৃক online আবেদনপত্রে উল্লেখিত Optional Subject-এর স্বপক্ষে প্রমাণ স্বরূপ (পাস/সম্মান) পর্যায়ের প্রবেশ পত্র/পত্রসমূহ;
✉ নাগরিকত্ব সনদপত্র;
✉ প্রযোজ্যক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ সনদপত্র;
✉ জাতীয় পরিচয়পত্র।
💻 প্রিলিমিনারি টেস্টে উত্তীর্ণ প্রার্থীগণকে SMS-এর মাধ্যমে হার্ডকপি প্রেরণের তারিখ ও সময় অবহিত করা হবে। SMS-এ প্রাপ্ত নির্দেশনা মোতাবেক উত্তীর্ণ প্রার্থীগণ Online-এ পূরণকৃত আবেদন Rorm (Applicant's Copy)-এর সাথে নিম্নোক্ত সনদ/ডকুমেন্ট প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত করে খামে ভরে যথেষ্ট সময় হাতে রেখে ডাকযোগে নিম্ন ঠিকানায় পৌঁছানো অবশ্যই নিশ্চিত করবেন:
✉✉✉ প্রাপক:
ঢাকা জি.পি.ও. বক্স নম্বর-১০৩,
ঢাকা-১০০০।
➡ প্রয়োজনীয় সনদ/Documents
✉ সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র;
✉ স্নাতক (পাস/সম্মান) পর্যায়ের নম্বরপত্র (মার্ক শিট/টেবুলেশন শিট);
✉ কেবল সহকারী শিক্ষক পদসমূহের ক্ষেত্রে প্রার্থী কর্তৃক online আবেদনপত্রে উল্লেখিত Optional Subject-এর স্বপক্ষে প্রমাণ স্বরূপ (পাস/সম্মান) পর্যায়ের প্রবেশ পত্র/পত্রসমূহ;
✉ নাগরিকত্ব সনদপত্র;
✉ প্রযোজ্যক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ সনদপত্র;
✉ জাতীয় পরিচয়পত্র।
❌ আবেদনপত্রের হার্ডকপি কোনক্রমেই হাতে হাতে এনটিআরসিএ-তে গ্রহণ করা হবে না।
✉📝 প্রিলিমিনারি টেস্টে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের হার্ডকপি প্রেরণের ক্ষেত্রে খামের উপরে “ত্রয়োদশ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার আবেদনপত্র” লিখতে হবে।
📝 লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীগণ ১০(খ) অনুচ্ছেদে বর্ণিত সনদসমূহের মূলকপি এবং কর্তৃপক্ষ কর্তৃক চাহিত অন্য যে কোন সনদের মূলকপি মৌখিক পরীক্ষার সময় প্রদর্শন করবেন।
📝 মৌখিক পরীক্ষার সময় ১০(খ) অনুচ্ছেদে বর্ণিত সনদপত্রসমূহের মূলকপি প্রদর্শনে ব্যর্থ হলে প্রার্থীতা বাতিল হবে।
📝 লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুসারে প্রতিটি বিষয়ে বিদ্যমান শুন্য পদের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত সংখ্যক প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হবে।
📝 লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি:
তারিখ ও বার সময় পর্যায়
১২.০৮.২০১৬ (শুক্রবার) সকাল ০৯:০০ টা - দুপুর ১২:০০টা স্কুল ও স্কুল-২
১৩.০৮.২০১৬ (শনিবার) সকাল ০৯:০০ টা - দুপুর ১২:০০টা কলেজ
📝 ১০০ (একশত) নম্বরের প্রতিটি বিষয়ের লিখিত পরীক্ষার সময় ৩ (তিন) ঘণ্টা।
📝 প্রিলিমিনারি টেস্টে উত্তীর্ণ প্রার্থীগণ তাদের প্রিলিমিনারি টেস্টের কেন্দ্রের বিপরীতে নিম্ন ছকে বর্ণিত কেন্দ্রে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন:
প্রিলিমিনারি টেস্টের কেন্দ্র লিখিত পরীক্ষার কেন্দ্র
রংপুর ও দিনাজপুর -- রংপুর ,
বগুড়া, পাবনা ও রাজশাহী -- রাজশাহী ,
যশোর, খুলনা ও কুষ্টিয়া -- খুলনা ,
ঢাকা, ফরিদপুর ও টাঙ্গাইল -- ঢাকা ,
রাঙ্গামাটি, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও নোয়াখালী -- চট্টগ্রাম ,
বরিশাল ও পটুয়াখালী -- বরিশাল,
সিলেট -- সিলেট,
ময়মনসিংহ, জামালপুর -- ময়মনসিংহ,
সিলেবাস
✉📝 প্রিলিমিনারি টেস্টে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের হার্ডকপি প্রেরণের ক্ষেত্রে খামের উপরে “ত্রয়োদশ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার আবেদনপত্র” লিখতে হবে।
📝 লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীগণ ১০(খ) অনুচ্ছেদে বর্ণিত সনদসমূহের মূলকপি এবং কর্তৃপক্ষ কর্তৃক চাহিত অন্য যে কোন সনদের মূলকপি মৌখিক পরীক্ষার সময় প্রদর্শন করবেন।
📝 মৌখিক পরীক্ষার সময় ১০(খ) অনুচ্ছেদে বর্ণিত সনদপত্রসমূহের মূলকপি প্রদর্শনে ব্যর্থ হলে প্রার্থীতা বাতিল হবে।
📝 লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুসারে প্রতিটি বিষয়ে বিদ্যমান শুন্য পদের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত সংখ্যক প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হবে।
📝 লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি:
তারিখ ও বার সময় পর্যায়
১২.০৮.২০১৬ (শুক্রবার) সকাল ০৯:০০ টা - দুপুর ১২:০০টা স্কুল ও স্কুল-২
১৩.০৮.২০১৬ (শনিবার) সকাল ০৯:০০ টা - দুপুর ১২:০০টা কলেজ
📝 ১০০ (একশত) নম্বরের প্রতিটি বিষয়ের লিখিত পরীক্ষার সময় ৩ (তিন) ঘণ্টা।
📝 প্রিলিমিনারি টেস্টে উত্তীর্ণ প্রার্থীগণ তাদের প্রিলিমিনারি টেস্টের কেন্দ্রের বিপরীতে নিম্ন ছকে বর্ণিত কেন্দ্রে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন:
প্রিলিমিনারি টেস্টের কেন্দ্র লিখিত পরীক্ষার কেন্দ্র
রংপুর ও দিনাজপুর -- রংপুর ,
বগুড়া, পাবনা ও রাজশাহী -- রাজশাহী ,
যশোর, খুলনা ও কুষ্টিয়া -- খুলনা ,
ঢাকা, ফরিদপুর ও টাঙ্গাইল -- ঢাকা ,
রাঙ্গামাটি, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও নোয়াখালী -- চট্টগ্রাম ,
বরিশাল ও পটুয়াখালী -- বরিশাল,
সিলেট -- সিলেট,
ময়মনসিংহ, জামালপুর -- ময়মনসিংহ,
সিলেবাস
স্কুল
স্কুল-2
কলেজ
Subscribe to:
Posts (Atom)







